স্কাউটদের অংশগ্রহনে কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হল বৃক্ষরোপন কার্যক্রম

0
102

প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় গাছপালার ভূমিকা অপরিসীম। জলবায়ু ও মাটির গুনে প্রাচীন কাল থেকেই বাংলাদেশ সবুজের সমারোহের জন্য সুপ্রসিদ্ধ । আর এ সমারোহ শুধুমাত্র গাছের সংখ্যাধিক্য সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রজাতির বৈচিত্র্যও ছিল। গাছপালা ও বনভূমি যেমনিভাবে আমাদের জন্য অক্সিজেন সরবরাহ করে ঠিক তেমনিভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবল থেকেও পরিবেশকে রক্ষা করে। পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে,

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি দেশের মোট আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।

অথচ বাংলাদেশের মোট বনভূমির আয়তন হচ্ছে- ১৭.৪ ভাগ। এদেশের ভারি জনসংখ্যার তুলনায় বনভূমি খুবই কম। দিন দিন কমে যাচ্ছে বনভূমির আয়তন। মানুষের কাঠ ও জ্বালানী কাঠের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে গিয়ে ধ্বংস করা হচ্ছে বনভূমি। নগরায়ন ও শহরায়নের ক্রমবর্ধমান চাহিদার ফলেও ধ্বংস হচ্ছে বনভূমি। বিলুপ্ত হচ্ছে জীবজন্ত ও বন্যপ্রাণী। এতে হুমকির মুখে পড়ছে দেশ ও দেশের মানুষ। শুধু বাংলাদেশ নয় পৃথিবী থেকেও বনভূমি দ্রুত ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইসলাম বৃক্ষ রোপনের তাগাদা দিয়েছে। এমনকি বৃ্ক্ষ রোপনকে সদকায়ে জারিয়ার সওয়াব হিসেবেও অভিহিত করা হয়েছে। বৃক্ষ রোপনের পর যতদিন পর্যন্ত মানুষ ও জীবজন্তু ওই বৃক্ষ থেকে প্রাপ্ত ফল ভোগ করবে, ছায়া পাবে, ততদিন পর্যন্ত রোপনকারীর আমলনামায় সদকায়ে জারিয়ার সওয়াব লেখা হতে থাকবে।

তাই এখনই উদ্যোগ নিতে হবে বেশি বেশি বৃক্ষ রোপন করে বাংলাদেশের বনভূমিকে মোট আয়তনের ২৫ ভাগে নিয়ে যাওয়ার।

এ লক্ষকে কেন্দ্র করে ২৫ মে ২০১৯ তারিখে বাংলাদেশ স্কাউটস এর সমাজ উন্নয়ন বিভাগের সহযোগিতায় বাংলাদেশ স্কাউটস, কুমিল্লা অঞ্চলের আঞ্চলিক স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, লালমাই এ স্কাউট ও রোভার স্কাউটদের অংশগ্রহণে সম্পন্ন হল বৃক্ষরোপন কার্যত্রম।  এই কার্যক্রমের আওতায় বিপন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়। স্কাউটরা ছাড়াও এ কার্যক্রমে অংশ নেয় বাংলাদেশ স্কাউটস এর সমাজ উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক ও আঞ্চলিক স্কাউটস এর কর্মকর্তাবৃন্দ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here