স্কাউট আন্দোলনের উদ্দেশ্য, মূলণীতি ও পদ্ধতি

0
74

স্কাউট আন্দোলনের উদ্দেশ্য হল ছেলেমেয়েদের শারীরিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, সামাজিক, আধ্যাত্মিক ও মানসিক দিকগুলাের পরিপূর্ণ বিকাশ । যাতে তারা ভারসাম্যপূর্ণ ব্যক্তি, দায়িত্বশীল নাগরিক এবং স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সদস্য হিসেবে জীবনযাপন করতে পারে। স্কাউটিংয়ের জনক বিপি ১৯০৭ সালে ব্রাউন্সী দ্বীপে ২০ জন বালক নিয়ে পরীক্ষামূলক ক্যাম্পিং-এর মাধ্যমে ১১-১৬ + বছর বয়সী বালকদের নিয়ে স্কাউটিং শুরু করেন। তিনি এ পরীক্ষামূলক ক্যাম্পিং করে নিশ্চিত হন যে, মুক্তাংগনে বৈচিত্রময় কর্মসূচির মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দিয়ে অতি সহজে বালকদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ সাধন করা যায়; যা তাদের দৈহিক, মানসিক/আবেগিক, আধ্যাত্মিক, সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নয়ন ঘটিয়ে চরিত্রবান, দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল আদর্শ নাগরিকরূপে গড়ে তােলে। বি-পি 'Scouting for Boys' বইতে বলেছেন- “By term Scouting is meant the work and attributes of backwoosmen, explorers and frontiermen" operte স্কাউটিং বলতে আদি বনবাসী মানুষ,অন্বেষণকারী ও সীমান্তবাসীদের কাজ ও গুণাবলীকে বুঝায় ।

মূলনীতি
স্কাউট আন্দোলন নিম্নবর্ণিত ৩টি মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত
১। স্রষ্টার প্রতি কর্তব্য পালন (আধ্যাত্মিক দিক)
২। নিজের প্রতি কর্তব্য পালন (ব্যক্তিগত দিক)
৩। অপরের প্রতি কর্তব্য পালন (সামাজিক দিক)

স্কাউট পদ্ধতি
১। প্রতিজ্ঞা ও আইনের চর্চা এবং তার প্রতিফলন
২। হাতে কলমে শিক্ষা
৩। ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে কাজ করা (যেমন- ষষ্ঠক/উপদল পদ্ধতি)
৪। ক্রমোন্নতিশীল ও উদ্দীপনামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম (ব্যাজ পদ্ধতি)
৫। প্রতিকী কাজ
৬। প্রকৃতির মাঝে কাজ করা
৭। বয়স্ক নেতা কর্তৃক পরিচালনা
৮। সমাজ ও গোষ্ঠী

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here